মধ্য প্রাচ্যের অশান্তির জেরে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই পেট্রল-ডিজেল ও রান্নার গ্যাস নিয়ে সঙ্কট তৈরি হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকার কৌশলগত ভাবে চেষ্টা করছে যাতে দেশে জ্বালানির ঘাটতি না হয়। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রয়োজন ছাড়া গাড়ি ব্যবহার না করতে।সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন কলকাতার ব্যবসায়ীরা। পেট্রল পাম্পের এক ব্যবসায়ী বলেন, “সরকার যা সিদ্ধান্ত নেবে তা তো মেনে চলতেই হবে।”

মধ্য প্রাচ্যের অশান্তির জেরে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই পেট্রল-ডিজেল ও রান্নার গ্যাস নিয়ে সঙ্কট তৈরি হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকার কৌশলগত ভাবে চেষ্টা করছে যাতে দেশে জ্বালানির ঘাটতি না হয়। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রয়োজন ছাড়া গাড়ি ব্যবহার না করতে। এ দিকে, প্রচুর মানুষ জ্বালানি সঙ্কট হতে পারে ভেবে আগে ভাগেই পেট্রল ডিজেট মজুত করে রাখছিলেন। তবে এভাবে তেল মজুত করে রাখা আইনত অপরাধ। পেট্রোল বা ডিজেল সাধারণ প্লাস্টিকের বোতলে দেওয়া হয় না। শুধুমাত্র স্টিল বা শক্ত প্লাস্টিকের অনুমোদিত পাত্রেই তা দেওয়া হয়। তবে, সম্প্রতি তেলের সঙ্কটের জন্য কন্টেনারে পেট্রল-ডিজেল দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এর জেরে কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছিল। বিশেষ করে কৃষক, চা বাগানের শ্রমিক যাঁরা মোটর চালিত যন্ত্র ব্যবহার করেন, একই সঙ্গে বিভিন্ন হাসপাতাল এবং জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলি অসুবিধায় পড়ছিল, সেই কারণেই তাদের জন্য এবার ছাড় দিল রাজ্য সরকার।